বই : স্মৃতির আয়নায় আকাবিরে দেওবন্দ
মূল : শাইখুল ইসলাম মুফতি তাকি উসমানী হাফি.
অনুবাদ: মাওলানা রুহুল্লাহ নোমানী
প্রকাশনায়: মাকতাবাতুল খিদমাহ- Maktabatul Khedmah
সালাফের জীবনী জানার গুরুত্ব
সালাফের বুজুর্গদের ঘটনাবলি মানুষের ইসলাহ ও হেদায়েতের জন্য অত্যন্ত উপকারী ও প্রভাবক বলে প্রমাণিত। কেননা এর দ্বারা ইসলামি বিধানের প্রয়োগিক রূপরেখা সামনে আসে এবং বুজুর্গদের ওই স্বভাব ও রুচিবোধ স্পষ্ট হয়ে উদ্ভাসিত হয়, যা রাসুল সা. এবং সাহাবায়ে কেরাম থেকে নিয়ে এই সর্বশেষ যুগ পর্যন্ত আমলিভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে স্থানান্তরিত হয়েছে। এ কারণেই নসিহার দীর্ঘ আলোচনা যদি এক পাল্লায় রাখা হয়, আর কোনো বুজুর্গ মনীষীর কোনো ঘটনা অন্য পাল্লায় রাখা হয়, তো এই এক ঘটনাই ওই দীর্ঘ নসিহার তুলনায় অন্তরে অনেক বেশি রেখাপাত করে। এ কারণেই প্রত্যেক যুগের লেখকরা বুজুর্গদের বিভিন্ন ঘটনা সংকলন করে তা উম্মতের জন্য সংরক্ষণ করেছেন।
শেষযুগে আল্লাহ তাআলা উলামায়ে দেওবন্দকে অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী বানিয়ে প্রেরণ করেছিলেন। তারা শুধু লেখায় ও আলোচনার মাধ্যমেই নয়, বরং নিজেদের আমল ও আখলাক দ্বারাও সাহাবা ও তাবেয়িদের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সে সকল আকাবিরের অধিকাংশেরই জীবনীগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু তাদের এমন অনেক ঘটনা রয়েছে, যা প্রকাশিত জীবনীগ্রন্থের মাঝেও উল্লেখ হয়নি।