ফিরআউন যখন নিজেকে খোদা দাবি করল, তার ভয় সকলকে তাকে মেনে নিতে বাধ্য করল। কেউ তাকে অস্বীকারের সাহস করল না। কিন্তু তার প্রাসাদেই সবচেয়ে সম্মানিত আসনে থাকা রানি হজরত আছিয়া তাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। তার প্রভুত্বকে অস্বীকার করলেন।
আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা আলাইহিস সালামের লালন-পালনের পবিত্র দায়িত্ব সঁপে ছিলেন তার ওপর। তিনি স্বস্নেহে সেই দায়িত্ব পূর্ণ করেছিলেন। আর আল্লাহ তাআলা মুসা আলাইহিস সালামের মাধ্যমে তাকে দান করেছিলেন ঈমানের দৌলত। ঈমানের সেই মহাদৌলত তিনি জীবনের শেষ ক্ষণ পর্যন্ত অটুট রেখেছিলেন। ফিরআউনের কঠিনতম জুলুম-নির্যাতন সয়েও ঈমান থেকে একটুও টলেননি এ মহীয়সী। শাহাদাতের মহান সৌভাগ্য অর্জন করে শ্রেষ্ঠ নারীর তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। তার জীবনে রয়েছে মুমিনদের জন্য হিদায়াত।