সময়ের পালাবদলে নিত্য নতুন সংস্কৃতি কালচার মানুষকে স্পর্শ করে থাকে। আর যে—কোন সভ্যতা সংস্কৃতির দুরকম প্রতিক্রিয়া-ফলাফল–
১.হয়ত এই সংস্কৃতি কালচার মানুষকে উন্নতি-অগ্রগতির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়।
২.অথবা এর দ্বারা সমাজে চরমভাবে নৈতিক অবক্ষয় অধঃপতন নেমে আসে। এককথায় যাকে বলা যায় অপসংস্কৃতির আগ্রাসন।
বর্তমানে আমাদের বাঙালি সমাজ এই অপসংস্কৃতির আগ্রাসনে জর্জরিত। পশ্চিমা সভ্যতার নামে নোংরা কালচারে আজকের যুবক-যুবতিরা দারুনভাবে প্রভাবিত। ওই সভ্যতার ছলে অসভ্যতার ধ্বজাধারীরা নারীবাদ ও সমান অধিকারের নামে ছেলে-মেয়েদের বেপর্দা বেহায়ার মতো রাস্তায় নামিয়ে আনতে উৎসাহিত করে। শেষতক সত্যিকারের প্রেম ভালোবাসার প্রলোভন দেখিয়ে ছেলে মেয়েকে ধোঁকা দেয়, আর মেয়ে ছেলেকে।
ঠিক এর বিপরীতে নয় নাফিস সাদিক। পশ্চিমা নোংরা সভ্যতা সংস্কৃতিতে প্রভাবিত এ যুবক নিজেকে ওনেক বড় বিজনেসম্যান পরিচয় দিয়ে প্রভাবিত করে সামিয়া নামের ধার্মিক ফ্যামিলির এক সহজসরল মেয়েকে। নাফিস সাদিক নিজ ভুয়া পরিচয়ে কীভাবে সামিয়াকে আকৃষ্ট করে, তারপর সামিয়াও কীভাবে তার ফাঁদে পা দেয়, এবং শেষ পর্যন্ত এর পরিনতি কী হয় এটা জানার জন্য বাকি কাহিনি বইয়ে উল্লেখ আছে।
পাশাপাশি অপসংস্কৃতির ভয়াল থাবা ও এর করুন পরিনতি থেকে বাঁচতে বর্তমান যুবসমাজকে কীভাবে পরিচালনা করতে হবে, গল্পচ্ছলে সেটিও বলা হয়েছে এতে।
✨ কেন পড়বেন?
ইসলামী আদর্শে নারীর পর্দাশীলতা কেবল শরীয়তের বিধি নয়, বরং জীবনের শান্তি ও মর্যাদার প্রতীক। এই বইটি আপনাকে আল্লাহ্র প্রদত্ত গুণাবলী দ্বারা নিজেকে আলোকিত করার পথ দেখাবে।🌸
যে যুবতী নিজের আত্মসম্মান ও ঈমান শক্তিশালী করতে চান, যে মায়ের জন্যে চান স্নেহময়ী ও তায়্যিবাত পূর্ণ পরিচর্যা, কিংবা যে বাবা-মা তাদের সন্তানীকে সুন্দর চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে আগ্রহী—সবার জন্যই উপকৃত হবে এই গ্রন্থ থেকে।
আজকের দ্রুত পরিবর্তিত সময়ে আসল গুণাবলী চেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। “পর্দানশীল মেয়েটি” বইটি স্মরণ করিয়ে দেবে ইসলামের সরল পথে অভ্যস্ত হয়ে কীভাবে নিজেকে সুরক্ষিত, মর্যাদাবোধসম্পন্ন ও তাওহিদের আলোকিত বানানো যায়।
“সর্বোচ্চ সৌন্দর্য আছরে নয়, বরং নম্রতা ও পর্দার মধ্যে নিহিত।” – এ বার্তা নিয়ে হাতে নিন এই অনন্য রচনা, আর নিজেকে আল্লাহ্র রাহমতে সজ্জিত করুন।
Fuldani Prokashoni - ফুলদানী প্রকাশনী