আমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে জীবনের পদেপদে তাঁর মুখাপেক্ষী। কাজেই আমাদের জীবনের যেকোনো সমস্যায় আল্লাহ তাআলার কাছেই প্রার্থনা ও নিবেদন করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। কিন্তু কীভাবে আমরা আল্লাহর কাছে দুআ করব, কী চাইব তা বুঝতে পারব না বলে তা-ও তিনি আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন। তাছাড়া আল্লাহর শান মোতাবেক আবেদন করার যোগ্যতাও আমাদের নেই। এজন্যই প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে দুআর বিষয়বস্তু, দুআর পদ্ধতি ও নিয়ম-কানুন তিনি আমাদের হাতে-কলমে শিখিয়েছেন।
পূর্ববর্তী ইমামগণের অনেকেই কুরআন ও হাদীস থেকে চয়ন করে সেসকল দুআর ভান্ডার সংকলন করেছেন। সেই সূত্রে হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. ‘মুনাজাতে মাকবুল’ নামে যে দুআভান্ডার রচনা করেছেন উপমহাদেশের মুসলমানদের ঘরে ঘরে প্রাত্যহিক ওযীফা হিসেবে যুগ যুগ ধরে তা পঠিত হয়ে আসছে।
এছাড়া দুআ কবুল হওয়ার অনেকগুলো শর্ত আছে। তারমধ্যে একটি হচ্ছে দুআর পূর্বাপর দরূদ শরীফ পাঠ করা। সেজন্য দরূদ শরীফের নির্ভরযোগ্য একাধিক গ্রন্থকে সামনে রেখে দরূদের একটি ওযীফা সংকলন করা হয়েছে। যাতে আল্লাহর বান্দারা রব্বুল আলামীনের কাছে মুনাজাতের সৌভাগ্য অর্জন করার পাশাপাশি দরূদের অসীম বরকত ও সৌভাগ্যও লাভ করতে পারে।