বিজ্ঞান কেন এখন ভালোভাবে ধর্মের আসনে আসীন হতে পারে, তা অ্যালেন ডি বটন (Alain de Botton) তার এক আর্টিকেলে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘মহিমান্বিত ও স্বাধীনভাবে আমরা এখন তা-ই হয়ে উঠেছি, যা আমরা সবসময় ভয় করেছি, সেটি হলো ‘কিছুই না’।’ এটা পুরোপুরিই স্ববিরোধী একটি মন্তব্য। এ ধরনের মানুষরা মানুষের গুরুত্বহীনতার গুরুত্ব প্রমাণ করতে চায়। এভাবে নিহিলিজমের প্রবণতা কমে না; বরং বাড়ে।
এই লেখক একটি বিখ্যাত ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন, নাম ‘The School of Life’। এর সাবস্ক্রাইবার প্রায় ৬ মিলিয়ন। তিনি একটি বইও লিখেছেন Religion for Atheists: A non-believer’s guide to the uses of religion নামে। বইয়ে ধর্মকে দেখা হয়েছে ইতিবাচকভাবে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ‘মানুষ কিছুই না’ এমন বলে সে নাস্তিকতা ও নিহিলিস্টিক চিন্তার মাধ্যমেই মানুষের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করেছে। তারপর দর্শকদেরকে নিয়ে যাচ্ছে স্ব-নির্ধারিত উদ্দেশ্য এবং তাৎপর্যের দিকে।
ব্যাপারটা অনেকটা এমন, আপনি কাউকে বলছেন—দুনিয়াতে কোনো পানি নেই, তারপর তাকে নিয়ে যাচ্ছেন এক গর্তের দিকে যেখানে কোনো পানি নেই, তারপর তাকে বলছেন, ‘আপনার তৃষ্ণা মেটান’।
.
.
'নিহিলিজম ও ইসলাম' বইয়ের অংশবিশেষ...