মানবসভ্যতা যে উল্টো পথে যাত্রা শুরু করেছে, তার অকাট্য প্রমাণ হলো সমকামিতাবাদের বৈশ্বিক প্রসার। বিশ্বব্যাপী নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে আমূল পরিবর্তন ঘটলেও আমরা এর গভীরতা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারছি না, এমনকি এ বিষয়ে আমাদের স্পষ্ট ধারণাও গড়ে ওঠেনি।
এলজিবিটি সম্পর্কে কিছু বিচ্ছিন্ন ও আংশিক তথ্য-উপাত্ত কেউ কেউ জানেন; তবে তা অনেকটাই অন্ধের হাতি দেখার মতো। এমন সংকটময় শূন্যতা পূরণের তাগিদে এলজিবিটি মতবাদের পুরো বিষয়টিকে সুনিপুণভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে শক্তিশালী রেফারেন্সসমৃদ্ধ এই বইটিতে।
রেফারেন্স হিসেবে বইটিতে যেসব জার্নাল নিবন্ধ, স্ক্রিনশট, এবং প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, গুগল সার্চের মাধ্যমে সেগুলো যাচাই করা সম্ভব। গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও এবং রেফারেন্সের পিডিএফ কপির QR কোড যুক্ত করা হয়েছে, যা সরাসরি ইউটিউব বা গুগল ড্রাইভ লিঙ্কে নিয়ে যাবে।
এ বইটি পড়ে জানা যাবে—সমকামিতা কি অধিকার? সমকামিতাকে অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে দেশের সিস্টেম (পলিসি, আইন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য) কীভাবে বদলে যায়? সমকামিতার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কী? কেন এবং কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, এনজিও এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে এটি বৈশ্বিক এজেন্ডায় পরিণত হলো? সমকামিতা-বান্ধব বিশ্ব গড়তে কারা অর্থায়ন করছে? পরিবার ও সমাজবিরোধী এবং স্বাস্থ্যগত ক্ষতিকর প্রভাব সত্ত্বেও এই আন্দোলন প্রচারের পেছনের মূল অনুপ্রেরণা কী? বাংলাদেশে সমকামী অধিকার আন্দোলনের সূচনা কবে? কারা এর নেতৃত্ব দিচ্ছে? এবং এ পর্যন্ত কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে?