জীবহত্যা ও ইসলাম বইয়ের কিছু অংশ
“ইসলামি শারিয়ার অন্যতম মহত্ত্ব হলো, যেসমস্ত আন্তর্জাতিক সংগঠন প্রাণিঅধিকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সেসবের নীতিমালা থেকে ইসলামের প্রাণীসংক্রান্ত নীতিমালা অনেক সুসংহত ও অগ্রবর্তী; সেই ১৪০০ বছর পূর্ব থেকেই। ইসলামি শারিয়া প্রাণিকুলের জন্য এমন অধিকার দিয়েছে, যা বিশ্ব বিংশ শতাব্দীতে এসে ঘোষণা দিচ্ছে। ”
“তবে বাস্তব কথা হলো, জবেহ প্রাণীবধের এমন একটি প্রধান পদ্ধতি, যা মানবজাতি ব্যবহার করে আসছে। এভাবে সমস্ত নাবি যেমন আদম, নুহ, ইবরাহিম, মুসা ও ইসা আ. এবং মুহাম্মদ সা. মাংস খাওয়ার জন্য প্রাণী জবাই করেছেন। তারা বিদ্যুৎপ্রবাহ প্রয়োগ করে, গ্যাস দিয়ে শ্বাসরোধ করে, গলায় ফাঁস দিয়ে, ঘাড় ভেঙে এবং পাথর দিয়ে মাথা চূর্ণ করে প্রাণী বধ করেননি।”
“জাপানে সামুদ্রিক প্রাণী জীবন্ত অবস্থায় খাওয়ার রীতি আছে, যা ‘ইকিযুকুরি (Ikizukuri)’ নামে পরিচিত; যার অর্থ ‘জীবন্ত পরিবেশন’ একটা মাছকে না মেরে ফালিফালি করে কেটে গ্রাহকদের সামনে এমনভাবে পরিবেশন করা হয় যে, তখনও মাছটির হৃৎস্পন্দন চালু থাকে এবং এটা একবার তার মুখ বন্ধ করে ও খোলে।”
“চীনে ‘Yin Yang fish’ হলো মাছের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ তরকারির পদ। এই আইটেমটায় মাছের মাথাকে আলাদা না-করে জীবন্ত অবস্থায় ডোবা তেলে ভাজা হয়; এরপর যখন খদ্দেরের সামনে পরিবেশন করা হয়, তখন এটার মাথা নড়তে থাকে।”