কেউ যদি ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে নিজের নেকীর পাল্লা ভারী না করতে পারে, গোনাহ মাফ করতে না পারে তাহলে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য বিকল্প পথও রেখে দিয়েছেন। সেটা হল বান্দাকে অসুখ বিসুখ দিয়ে বিপদ আপদে আক্রান্ত করে তার গোনাহ মাফ করে তাকে তার নির্ধারিত মর্যাদায় উন্নীত করার পথ রেখে দিয়েছেন।
এই হিসাবে একজন মুমিন মুসলমানের জন্য রোগে আক্রান্ত হওয়া, এতে সবর করা কিংবা সুস্থ লোকদের অসুস্থ লোককে সেবা শশ্রূষা করা তার জন্য বহুত বড় সৌভাগ্যের কারণ।
রোগ হলে এর দ্বারা রোগী কত বড় মর্যাদার অধিকারী হয় তা যদি তার জানা থাকত তাহলে অসুখ বিসুখে হা হুতাশ না করে সবর করত। আবার রোগীকে সেবা করলে, খেদমত করলে, রোগীকে দেখতে গেলে তার জন্য কি পরিমাণ সাওয়াব আল্লাহ তা'আলা রেখেছেন এটা জানা থাকলে রোগীর সেবা করতে কেউ কুণ্ঠাবোধ করত না। ইউরোপ আমেরিকার লোকেরা বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে। আর মুসলমানরা অল্প বেশি জানে বলে এখনও একান্নবর্তী পরিবারে থেকে নিজের বৃদ্ধ পিতা-মাতার খেদমত করে উভয় জাহানের সফলতা অর্জনে সচেষ্ট হয়।
যারা ডাক্তার রোগীর সাথে তাদের আচরণ কেমন হওয়া দরকার, চিকিৎসা বিদ্যাকে পেশা আর টাকা কামাইয়ের হাতিয়ার বানানো উচিত নাকি মানবতার সেবা হিসাবে বেছে নেয়া উচিৎ, মানবতার সেবা হিসাবে চিকিৎসা পেশাকে গ্রহণ করলে তার কি ফযীলত এটা জানা না থাকার কারণে অনেক ডাক্তার এটাকে টাকা কামাইয়ের হাতিয়ার বানিয়েছে। রোগীকে সর্বসান্ত করে স্বীয় পকেট ভারী করছে। টেষ্টের প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র কমিশনের লোভে এক গাদা টেষ্ট করাতে বাধ্য করছে।