মহান আল্লাহ এই বিশ্বকে সৃষ্টি করেছেন মানবজাতির কল্যাণের জন্য। আর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন বিশেষ একটা উদ্দেশ্য নিয়ে। আর তা হলো আল্লাহ তাআলার ইবাদত। আর বান্দার সর্ব প্রকার ইবাদত ও আমল নির্ভরশীল তার ঈমান ও আকীদার উপর। বিশুদ্ধ ঈমান ও সঠিক আকীদা ব্যতীত বান্দার কোনো আমলই আল্লাহ তাআলার নিকট গ্রহণযোগ্য হয় না। উপরন্তু ঈমান ও আকীদাগত ভ্রান্তির কারণে মানুষ সালাত, সওম, হজ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদত করা সত্ত্বেও কাফির, মুশরিক এবং নাস্তিক ও মুরতাদে পরিণত হয়ে যায়। তাই ইসলামী শরীয়তে ঈমান ও আকীদার গুরুত্ব অপরিসীম এবং তা বান্দার প্রতি প্রথম ফরযকৃত বিষয়।
ঈমান ও ইসলামী আকীদার উপর কিছু লেখার বাসনা বেশ আগ থেকেই লালন করে আসছিলাম। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই সেটার বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে আমাদের নৈশ মাদরাসার সম্মানিত দায়িত্বশীলগণের বদান্যতায়। অধমের অযোগ্যতা ও ব্যস্ততা সত্ত্বেও তাঁরা আমার উপর আস্থা রেখেছেন এবং আমার উপর এই দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছেন। আমি হৃদয়ের গভীর থেকে তাঁদের শোকর আদায় করছি এবং তাঁদের জন্য দুআ করছি-"জাযাহুমুল্লাহু খাইরাল জাযা।" এ ক্ষেত্রে মাওলানা মুফতী জহীরুল ইসলাম সিরাজী সাহেবের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যাঁর বারংবারের তাগিদে এ লেখা পূর্ণতার মুখ দেখেছে। আর যার ত্যাগ ও অবদানের কথা না বললেই নয়। তিনি হলেন আমার দীর্ঘ দিনের দীনি বন্ধু, আমার মুশীর হযরত মাওলানা নাজমুদ্দীন সাহেব দা.বা.। যিনি দীনের বহু শাখার খেদমতের সাথে জড়িত থাকা সত্ত্বেও নিজের অত্যন্ত মূল্যবান সময় ব্যয় করে বেশ তাহকীক ও যত্নের সাথে অধমের লেখাকে সম্পাদনা করে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনকে উভয় জাহানে সফলতা দান করুন।