সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তা'আলার এবং অগণিত সালাম ও দরূদ বর্ষিত হোক তাঁর রাসূলের উপর। আর প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমস্ত পরিবারবর্গ ও আসহাবদের উপর।
অতঃপর রূহানী চিকিৎসার উপকারিতা সম্পর্কে কে অস্বীকার করতে পারে? এই চিকিৎসার হক ও যোগ্যতা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর আরেফ ও আল্লাহর বিশেষ নেক বান্দাদেরই আছে। ঈমান ও আমলের শক্তি যে ব্যক্তির মধ্যে যে পরিমাণ বিরাজ করবে, সেই পরিমাণেই তার আমল ও চিকিৎসা সফল, প্রভাবপূর্ণ এবং কার্যকর হবে।
বলা হয়, যদি জ্বীন-ভূতের রোগীর সম্মুখে ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ.- এর শুধু নাম বলা হতো, তাহলে জ্বীন-ভূত ভেগে পলায়ন করতো। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। অথচ বাংলাভাষায় “ইসমে আযম ও আসমাউল হুসনা" সম্পর্কে এ পর্যন্ত কোন গ্রন্থ রচিত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। দুঃখের বিষয় সমাজ অশিক্ষিত, শতকরা পঁচাশিজন নিরক্ষর। কিন্তু সুখের বিষয়, সমাজ আমাদের যতই অশিক্ষিত হোক, তাদের মন মুর্দা নয়, ধর্ম জ্ঞানলিপ্সা কম নয়। তারা ধর্ম চর্চা করে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর রাসূলের জন্য; আল্লাহর দ্বীনের জন্য হাসিমুখে জীবন দান করে। আল্লাহ কি? রাসূল কি? জানতে চায়। সে পথে চলে বাঁচতে চায়, সে পথেই মরতে চায়। তাদের উদ্দেশ্যেই "আ'মালে ইসমে আযম" পুস্তকখানা রচিত হলো। যদি একজন মুসলমানও এর দ্বারা উপকৃত হোন, আল্লাহর মহব্বত ও নৈকট্য লাভে ধন্য হোন, তবে আমার শ্রম সার্থক জ্ঞান করব।