শারীরিক ভাবে অসুস্থ হলে আমরা পেরেশানিতে পড়ে যাই। শরীরে একটু ব্যথা অনুভূত হলে মনে অস্থিরতা বিরাজ করে। দৌড়ে উপস্থিত হই ডাক্তারের কাছে। ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলি। নিয়ম মেনে ঔষধ খাই ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করি।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো, শরীরের ব্যাপারে আমরা যতটা উৎকন্ঠায় থাকি, আমাদের আধ্যাত্নিক রোগের ব্যাপারে তেমন উৎকন্ঠিত হই না। যদিও এগুলোর ক্ষতি অনেক ক্ষেত্রেই শারীরিক সমস্যাকেও ছাড়িয়ে যায়।
আমরা শুধু নামায-রোজাকেই ইবাদাত মনে করি। কিন্তু অন্তরের রোগ যেমন- মিথ্যা, গীবত, খেয়ানত, অপব্যয়, কৃপনতা, লৌকিকতা, বিদ্বেষ, রাগ, কুধারণা, নিন্দা করা ও খোঁচা দেওয়া, অন্যের হক নষ্ট করা, দুনিয়ার প্রতি আসক্তি ইত্যাদি স্বভাব থেকে দুরে থাকাকে ইবাদাত মনে করি না।
অথচ এগুলো আমাদের ধর্ম, ব্যক্তি জীবন ও সমাজে মারাত্নক প্রভাব ফেলে।
আমাদের আত্মশুদ্ধি ও চরিত্রগঠনের উত্তম ব্যবস্থাপত্র হতে পারে ইসলাহী মাজালিস সিরিজের বইগুলো । আধ্যাত্নিক রোগের ভয়াবহতা ও তা থেকে মুক্তির উপায় বাতলে দেওয়া আছে বইটির প্রতিটি পাতায় পাতায় ।