মিসেস জলি তার বেডরুমটা আজ অন্যরকম করে সাজিয়েছেন। সম্ভবত খুব দামি কোনো এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করেছেন। বেলিফুলের গন্ধের মতো মিষ্টি গন্ধে ভরে আছে রুমটি। এক ধরনের নেশা ধরানো গন্ধ। হঠাৎ উঠে দাঁড়ালেন মিসেস জলি। রোহান কিছু বুঝে ওঠার আগেই খটকরে দরজা বন্ধ করে দিলেন। বাতি নেভালেন।
আঁতকে উঠল রোহান! ঘরে এখন ভূতুড়ে অন্ধকার! রোহান স্তব্ধ! অন্ধকারে গা ছম ছম পরিবেশ। রোহান বাকরুদ্ধ, নিথর! হাত থেকে, গলা থেকে, কান থেকে গহনা খুলে রাখার ঝনঝন শব্দ হলো। রোহান কাঁপছে! সিল্কের শাড়ি পরা অথবা খোলার সময় এক ধরনের খসখসে শব্দ হয়। সেই শব্দও শুনল রোহান। অন্ধকারে শব্দ। রোহান থর থর করে কাঁপছে!
মিসেস জলি ভাঙা ভাঙা গলায় বললেন, ‘রোহান, এসো। আমরা আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত উপভোগে মেতে উঠি।’
আমাদের জন্মের আগে, বহু আগে এই পৃথিবীতে ঘটে গেছে অনেক ঘটনা। লোমহর্ষক অনেক কাহিনি। কিছু হারিয়ে গেছে। কিছু রয়ে গেছে কালের সাক্ষী হয়ে। হাজার হাজার বছর আগের সেই গল্পগুলো উপন্যাসের মতো করে পড়লে কেমন হয়?
বক্ষ্যমান বইটি একটি উপন্যাস। সুখের মতো কান্না, সিরিজ-১। একটি চিরন্তন ঘটনার দূরবর্তী ছায়া অবলম্বনে।