মদিনার সমাজ কীভাবে গড়ে উঠল? কেমন ছিল মদিনার সমাজ? ইসলাম-পূর্ব মদিনা কেমন ছিল? মদিনার তৎকালের সংবিধান কেমন ছিল? কীভাবে সাহাবিগণ পরস্পরে মিলে কাজ করেছেন? একটি সম্পূর্ণ নতুন দেশে এসে কীভাবে তাঁরা কর্মসংস্থান করেছিলেন? বেকারত্ব কীভাবে দূর হলো? এক ভাই অন্য ভাইয়ের জন্য কীভাবে তাঁর সর্বস্ব উৎসর্গ করে দিতে পেরেছিলেন? রাষ্ট্রপ্রধান রাসুলুল্লাহ সা. কীভাবে অভাবীদের থাকা-পরার ব্যবস্থা করলেন? গৃহহীন ও কর্মহীন লোকদের থাকা-পরার ব্যবস্থা কীভাবে হয়েছিল? এককথায়, কীভাবে জিরো থেকে হিরো হয়ে উঠল মদিনার সমাজ?
বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে উক্ত সকল প্রশ্নেরই উত্তর পাওয়া যাবে। অবশ্য কেবল মদিনার সমাজব্যবস্থা তুলে ধরাই লেখকের উদ্দেশ্য ছিল না। বরং ‘সহিহ বর্ণনা’ দ্বারা মদিনার সমাজচিত্র তুলে ধরাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল। ইসলামি ইতিহাসকে ‘ঢেলে সাজানো’একটি পরিকল্পনা নিয়ে লেখক কাজ করছেন। সেই কাজেরই একটি অংশ হলো বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি।
গ্রন্থটি পাঠ করলে পাঠক প্রধানত দুটি বিষয়ে উপকৃত হবেন :
১. তারা মদিনার সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করবেন।
২. এবং একটি সমাজ কীভাবে গড়ে ওঠে, তার নববি রূপরেখার সাথে পরিচিত হতে পারবেন।