একজন মানুষের সাথে জীবনের অর্ধায়ু এক ঘরে এক ছাদের নিচে কাটাবেন আর মতের বিরোধ হবে না এমনটা অসম্ভব। বিয়ের যাত্রাটা সহজ নয়, পথিমধ্যে প্রেমময় ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত যেমন আছে তেমনি আছে বিষাদের স্বাদ, মন ভাঙার গল্প।
বিয়ের অপর নাম আপোস করা। বিয়ে সম্পর্কিত ফিক্বহী নিয়ম পড়ে আপনি এই আপোস করা শিখতে পারবে না। অনাবিল সুখ শান্তির সংসার গড়ে তুলতে চাইলে আপনাকে জানতে হবে, উপলব্ধি করতে এবং বুঝতে হবে আপনার সঙ্গীকে। মুসলিম আলিমগণ সুখী পরিবারের কথা বলতে গিয়ে বারবার বলেছেন, স্বামী স্ত্রী পরস্পরের প্রশান্তি হবে।
উত্থান-পতন হয়ে গেলে সম্পন্ন আন্তরিকতার সহিত কথা বলতে হবে, সমস্যার মূল শিকড় খুঁজে উচ্ছেদ করতে হবে। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবার পরে পবিত্র এই ভালোবাসার জিম্মাদারি স্বয়ং আল্লাহ পাক নিয়েছেন, ঐশ্বরিক এই মহব্বত লুকিয়ে রাখার বস্তু নয়। প্রিয় ভাইয়েরা! আপনি যদি স্ত্রীর নূন্যতম হক্ব আদায়ের বিষয়েও সোচ্চার না হন তাহলে বৈবাহিক জীবনের উন্নতি অসম্ভব। আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি পৃথিবীর সমুদয় সম্পদের মালিক হয়ে যান অথচ আপনার স্ত্রী আপনার উপর অসন্তুষ্ট, তাহলে বেলাশেষে আপনি প্রকৃত সুখ পাবেন না। অর্থ জৌলুস সুখ এনে দিত পারেনা। আবার অনেক ভাইয়েরা সামান্য ঝগড়া বিবাদ করে তালাক দেয়ার মুহুর্তেই স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেন। অথচ কুরআন বলে, ঘরটা যতটা আপনার ঠিক ততটাই আপনার স্ত্রী।