রমজান শুরুর আগ থেকেই ব্যবসায়ীদের পরিকল্পনা শুরু হয়—কীভাবে এ রমজানে বিগত লোকসানগুলো পুষিয়ে আনা যায়। এই পরিকল্পনায় বেগুনের কেজি হয় ১০০ টাকা। ৫০০ টাকার খেজুর গিয়ে পৌঁছায় ১২০০ টাকায়। ২০০ টাকার তরমুজ হয় ৮০০ টাকা। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের আয়োজনে ফল রাখা এখন অনেকের নিকটই স্বপ্নের মতো।
অথচ মুসলমানের চরিত্র এমন হওয়ার কথা ছিল না। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যবসা করেছেন। সাহাবায়ে কেরামেও ব্যবসা করতেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের রীতিনীতিে তারা ছিলেন স্বচ্ছ। অন্তরে থাকত আল্লাহর ভয়। তাদের নিয়ত হতো পবিত্র। শুধু লভ্যাংশ নয়, সততার মাধ্যমে দীনের দাওয়াত পৌঁছানোই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। তারা পণ্যের দোষ জানিয়ে তার পর গ্রাহকের নিকট বিক্রি করতেন। দুঃখীদের হাতে সদকাস্বরূপ পণ্য তুলে দিতেন। বেশি দূরে যেতে হবে না, এই ভারতবর্ষে ইসলাম আসার ইতিহাসটুকু পড়ুন। এই মুসলিম ব্যবসায়ীদের হাত ধরেই এ ভারতবর্ষে ইসলামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়ে।
হ্যাঁ, আমরাও জানি, শাইখুল হাদিস মাওলানা জাকারিয়া রহ. রচিত এ বইটি অসাধু ব্যবসায়ীদের পড়াতে পারব না। তবে আজকে যারা তরুণ পাঠক—তারা যখন ভবিষ্যতে ব্যবসায়ী হয়ে আত্মপ্রকাশ করবে, তখন এ বই তাদের আলোর পথ দেখাবে। কুরআন-হাদিসের বার্তায় এবং মনীষীদের শিক্ষণীয় ঘটনা পড়ে তারাও একজন সৎ ব্যবসায়ী হয়ে দীনের খেদমত করবে।