বইটির বৈশিষ্ট্য
===========
১. এই বইয়ে ফিকহ-ফতওয়া, তাফসীর, হাদীস ও শুরুহাতে হাদীসের ২০০টি কিতাবের পরিচয় রয়েছে।
২. এর মধ্যে ফিকহে হানাফীর ১০৬টি কিতাবের বিস্তারিত অথবা সংক্ষিপ্ত পরিচয় রয়েছে (৫০টি আরবী, ৪৩টি উর্দু ও ১৩টি বাংলা ফতওয়ার কিতাব।)
৩. হানাফী মাযহাবের বাইরে অন্য তিন মাযহাবের মৌলিক কিতাবগুলোর পরিচয় প্রদান করা হয়েছে।
৪. পরিচয় প্রদানের ক্ষেত্রে ফিকহ-ফতওয়ার সাথে সম্পৃক্ত আমাদের নিকট-অতীতের আকাবির উলামার পর্যালোচনা, মূল্যায়ন ও উক্তিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
৫. কিতাবের পরিচয়ের সাথে লেখকের পরিচয়ও সংক্ষেপে আরবীতে যুক্ত করা হয়েছে।
৬. এক নজরে ৪ মাযহাবের কিতাবগুলোর নাম লেখকের নামসহ চক আকারে পেশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সহজেই প্রত্যেক কিতাবের অবস্থান জানা যাবে। অর্থাৎ এটি মৌলিক কিতাব নাকি শরাহ, শরাহ হলে কিসের শরাহ বা হাশিয়া হলে কোন কিতাবের হাশিয়া--- তার বিবরণ রয়েছে এখানে।
৭. সহজে মুখস্থ করার জন্য বইটির শেষে কিতাবসমূহের নাম, লেখকের নাম ও লেখকের মৃত্যু তারিখ মৃত্যুর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে যুক্ত করা হয়েছে।
বইটি কারা পড়বেন, কেন পড়বেন?
===================
১. কুদুরী জামাত থেকে ওপরের দিকের সব তালিবে ইলমের জন্যই বইটি পাঠোপযুক্ত। বিশেষ করে যারা বর্তমানে ফতওয়া বিভাগে পড়ছেন অথবা সামনে পড়বেন তাদের জন্য অবশ্যই মোতালাআ করা উচিত বইটি। বিজ্ঞ মুফতিয়ানে কেরাম বলেন, ফিকহ ও ফতওয়ার কিতাবের পরিচয় ইফতা বিভাগে ভর্তি হয়ে শেখার বিষয় নয়; বরং আগেই কিতাব সম্পর্কে জেনে তারপর তাখাসসুসে ভর্তি হওয়া উচিত।
২. বইটি ফিকহের একজন তালিবে ইলমকে কিতাব পরিচিতির প্রাথমিক ও মৌলিক খোরাক জোগাতে যথেষ্ট সহযোগিতা করবে। যদি কোনো তালিবে ইলম পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে কিতাবটি আদ্যোপান্ত পড়েন তাহলে পাঠশেষে তিনি নিজের সামনে নতুন এক দিগন্ত আবিস্কার করতে সক্ষম হবেন। ফিকহের কিতাবের ব্যাপারে অন্ধকারে থাকা একজন অনুসন্ধানী পাঠকের সামনে কিতাবটি আলোকরশ্মি হয়ে দেখা দেবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি তাফসীর ও হাদীসের কিতাবের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তো থাকছেই!