যারা গণতন্ত্রের জন্য নেতৃত্ব দেয়, তারা গণতন্ত্রকে জেনে ও ভালোবেসে গণতন্ত্রকে প্রচার করে।
যারা পুঁজিবাদীব্যবস্থা জারি করতে আন্দোলন করে, তারা পুঁজিবাদের পাঠ খুব ভালোভাবে আয়ত্ত করেই এ পথে নামে।
একজন সেক্যুলার তার আদর্শের বাস্তবায়ন চায়, একজন নাস্তিক তার স্বপ্নের রাষ্ট্রের নকশা উন্মোচন করে, অথচ একজন মুসলমান যখন তার আদর্শ ও কাঙ্ক্ষিত ইসলামি শরিয়াভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কথা বলে, তখন তাকে জঙ্গি বলে ট্যাগ দেওয়া হয়, কিন্তু কেন?
অতএব শুধু স্বপ্ন বা আকাঙ্ক্ষা করলেই হবে না,
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা কী?
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা বিশ্বকে কী দিয়েছে?
ইসলামি রাষ্ট্রের ধরন কেমন?
বর্তমান বিশ্বে এর প্রয়োজনীয়তা কেন?
খেলাফতে রাশেদা কেমন ছিল?
এসবকিছু আমাদের জানতে হবে। অন্তরের গহীনে তা লালন করতে হবে। যে কুকথা বলবে, তাকে জ্ঞানের ভাষায় জবাব দিতে হবে। উন্মুক্ত মঞ্চে ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার গুণ ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করতে হবে।