গায়রাত মুমিনের অলংকার বই থেকে
মূল: মিশরীয় শাইখ সায়্যিদ মুরাদ সালামাহ
অনুবাদ: উম্মে মুহাম্মাদ
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গায়রত প্রকাশ করার আরেকটি উদাহরণ হলো, তিনি মহিলাদের একা সফর করতে নিষেধ করেছেন, এমনকি হজ আদায়ের সফরেও।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মাহরাম পুরুষ না থাকা অবস্থায় কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ না করে। কোনো স্ত্রীলোক যেন মাহরাম পুরুষ ছাড়া একাকী সফর না করে। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসুল, আমার স্ত্রী হজের উদ্দেশে রওনা হয়ে গেছে এবং আমার নাম অমুক সৈন্যবাহিনীতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যা অমুক স্থানে যুদ্ধে যাবে। তিনি বললেন, তুমি চলে যাও এবং তোমার স্ত্রীর সাথে হজ করো।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৩৪১)
কোথায় গেল আজ সেই গায়রত? নারীরা কীভাবে মাহরাম বা অভিভাবক ছাড়াই ভ্রমণ করে? অনেকে তো শিক্ষার অজুহাতে মাহরাম ছাড়াই কাফেরদের দেশে ভ্রমণ করে! কেউ-বা প্রমোদভ্রমণে এমন লোকদের সঙ্গী হয়, যারা বাস্তবে মানুষের ছদ্মবেশে নেকড়ে! নগ্ন মাংস খাওয়ার লোভে যাদের জিহ্বা থেকে লালা ঝরতে থাকে।
কোথায় সেই গায়রত, যখন স্কুলে মেয়ে এবং ছেলেদের একসাথে পড়ানো হয় এবং তাদের মাঝে এমনসব ঘটনা, গল্প ও আলাপ জুড়ে দেওয়া হয়, যা শরিয়ত সমর্থন করে না। উত্তরসূরিদের গায়রত কি মরে গেছে, না-কি দাইয়ুস হওয়াটা সবার চরিত্রে পরিণত হয়েছে?