বই: আই লাভ কুরআন
লেখক: মুহাম্মাদ আতিক উল্লাহ
প্রকাশনী: মাকতাবাতুল আযহার
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪০০
মহিমান্বিত কুরআন; মানবজাতির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধান। এ কিতাবে যা আদেশ করা আছে তা আপনার জন্য শিরধার্য এবং সঠিকভাবে মেনে চলতে পারলেই সফলতা নিশ্চিত। আর যা নিষেধ করা আছে তা আপনার জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক এবং নিষেধ না মানলে পদে পদে বিপদগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এই জাদুকরী কিতাব একদিনেই আকাশ থেকে টুপ করে নাযীল হয় নি। এর পিছনে রয়েছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন মহানায়কের অক্লান্ত পরিশ্রম।তিনিই আমার প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)।
প্রিয় রাসূল (সাঃ)-কে ডেকে আল্লাহ বলেছেন -
(হে নবী!) আমি ওহী মারফত এই যে কুরআন আপনার কাছে পাঠিয়েছি, এর মাধ্যমে আপনাকে এক উৎকৃষ্টতম ঘটনা শোনাচ্ছি, যদিও আপনি এর আগে এ সম্পর্কে ( অর্থাৎ এ ঘটনা সম্পর্কে) বিলকুল অনবহিত ছিলেন। (সুরা ইউসুফ-৩)
মুহাম্মাদ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ'র
❝আই লাভ কুরআন❞ গতানুগতিক কোনো তাফসীর গ্রন্থ নয়। এটি আসলে আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া নিত্যদিনের কর্মপদ্ধতির উপর কুরআনিক বিশ্লেষণ মূলক গ্রন্থ। শিক্ষনীয় তো বটেই, অনুপ্রেরণারও উৎস বলা চলে। কুরআন কে নিয়ে যে এভাবেও ভাবা যায় ❝আই লাভ কুরআন❞ পড়ার আগে তা কখনোই বুঝিনি.....
বই সম্পর্কে একশ ভাগ তথ্য দেওয়া কখনোও সম্ভব না।তবুও যতটুকু পারা যায় বলি,ইনশাআল্লাহ।
কুরআনিয়্যাত সিরিজের প্রথম বই
❝আই লাভ কুরআন ❞
লেখকের বইয়ের 'বিসমিল্লাহ' অংশটুকু বরাবরের মতোই হৃদয়গ্রাহী। এই 'বিসমিল্লাহ' এর বরকতেই হয়তো পুরো বইটা পড়তে কারো ক্লান্তি আসবে না।
সংক্ষিপ্ত সূচিঃ
▪️হিযবী মিনাল কুরআন // ৩৩-৫৮
▪️আই লাভ ইউ, সুইট হার্ট! // ৫৯-৬৮
▪️কুরআনের প্রজন্ম // ৬৯-৭৪
▪️জীবনের প্রয়োজনে কুরআন // ৭৫-১৩৬
▪️ আয়াতমাখা গল্প // ১৩৭-১৬০
▪️মাদরাসাতুল আম্বিয়া // ১৬১-২৩৮
▪️কুরআনি ভাবনা // ২৩৯-২৫৪
▪️মাদরাসাতুল কুরআন // ২৫৫-৪০০
সংক্ষিপ্ত সূচিতে উল্লিখিত প্রত্যেকটা টপিকের অভ্যন্তরে ছোট ছোট জীবন ঘনিষ্ঠ সব গল্পের বিচরণ। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো প্রতিটা গল্পই কুরআনের কোনো না কোনো আয়াত রিলেটেড।একটা গল্প, তার পরিপ্রেক্ষিতে গল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটা আয়াত।
কি সুন্দর চিন্তা-ভাবনা। মাশাআল্লাহ!
আর এটাই ❝আই লাভ কুরআন❞ এর বিশেষত্ব। আপনার মনে হচ্ছে আপনি গল্প পড়ছেন অথচ আপনার অজান্তেই আপনার কুরআনের আয়াতসহ তার অর্থ জানা হয়ে যাচ্ছে। দারুণ না??