আমার নবি মুহাম্মাদ-ﷺ’ বই থেকে,
লেখক- জাকারিয়া মাসুদ
শারঈ সম্পাাদক- মুফতি আবদুর রহমান
উম্মু আনমারের দাস ছিলেন খাব্বাব রা.। ইসলাম কবুলের অপরাধে তাঁকেও সইতে হলো চরম নির্যাতন। সেই জুলুমের কথা তিনি নিজেই বর্ণনা করেছেন: ‘একদিন মক্কার মুশরিকরা আমাকে জ্বলন্ত আগুনের ওপর শুইয়ে দিল। ওদের একজন পা দিয়ে চাপ দিল আমার বুক বরাবর। যাতে আমি নড়াচড়া করতে না পারি। ওভাবেই আগুনে পুড়তে লাগল আমার দেহ।’
খাব্বাব রা. একদিন নবিজির কাছে এলেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ তখন কাবার চত্বরে শুয়ে ছিলেন। খাব্বাব রা. বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা তো আর সইতে পারছি না। একটু কিছু করুন না!’
খাব্বাবের কথাগুলো অপছন্দ করলেন বিশ্বনবি ﷺ। তাঁর চেহারার রঙ বদলে গেল। তিনি বললেন, ‘তোমাদের পূর্ববর্তী ঈমানদার লোকদের জন্যে গর্ত খুঁড়া হতো। করাত এনে তাকে দ্বিখণ্ডিত করে ফেলা হতো। কিন্তু এসবের কোনোটাই তাকে দীন থেকে সরাতে পারতো না। কাউকে তো লোহার চিরুনি দিয়ে এমনভাবে আঁচড়ানো হতো, যার ফলে তার হাড্ডি-চামড়া ছিন্নভিন্ন হয়ে যেত। এরপরেও তাকে দীন থেকে ফেরানো যেত না। আল্লাহ তাআলা অবশ্যই এ দীনকে পূর্ণতা দেবেন। একজন ভ্রমণকারী সানআ থেকে হাদারামাউত পর্যন্ত সফর করবে, আর তার মনে আল্লাহ ছাড়া কারও ভয় থাকবে না। কিন্তু তোমরা বড্ড তাড়াহুড়া করছো!’
.
‘