বই: নিকটজনে নারীর দাওয়াহ
লেখক: শাইখ আবু আব্দুল বারী হাফিজাহুল্লাহ
সম্পাদনা: উস্তাজ আহমাদ তামজিদ মুসা আমান
প্রচ্ছদ: সুকুন গ্রাফিক্স টিম
প্রকাশনী: Sukun Publishing
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০২৪
পৃষ্ঠা:৯৭
▪️ নিকটজনে নারীর দাওয়াহ বইটি নিয়ে কিছু কথা:
আমরা সকলেই চাই আমাদের প্রিয়জনেরা ভালো থাকুক। জান্নাতের সবুজাভ আঙিনায়,সুউচ্চ পাহাড় পরিবেষ্টিত মনোরম ঝর্ণার পাড়ে এবং দিগন্ত প্রসারিত জান্নাতি উদ্যানে আমরা সকলে একত্রিত হবো।এর পরিপ্রেক্ষিতেই আমাদের উচিত আমাদের প্রিয়জন ও নিকট আত্মীয়র ভুলগুলো শুধরে দিয়ে দ্বীনের দাওয়াহ দেওয়া।
▪️ নিকটজনে নারীর দাওয়া বইটি ১১ টি অধ্যায়ে বিভক্ত:
১. শুরু কথা:
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ তাআলার,যিনি আদম সন্তানকে তার সৃষ্টির সকলের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।নারীর অধিকার নিশ্চিত করেছে।নারীকে মর্যাদার উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত করেছে।একজন নারীর গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় হলো তিনি একজন মা,আবার একজন স্ত্রী। আবার সেই নারী হতে পারেন কারো কন্যা বা কারো বোন।
২. নারীর দাওয়াহ ক্ষেত্র:
পরিবারের মধ্যে দিনের আগ্রহ সৃষ্টি করা ও তাদের দ্বীনদার হিসেবে জীবনযাপন করতে প্রস্তুত করে তোলাও একজন নারীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
৩. সন্তানের কাছে দাওয়াহ:
সাধারণত জন্মের পর থেকে একজন শিশু মায়ের আদর স্নেহের বেড়ে ওঠে। প্রতিটি শিশুর প্রথম শিক্ষক তার মা। তাই শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে মায়েরা প্রথমে সন্তানকে তার আকিদা ও তাওহীদ শেখাবেন। আল্লাহ তায়ালা কে? তাঁর পরিচয় কি? এগুলো সুন্দরভাবে শেখাবেন। এরপর প্রিয়তম নবী হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবেন।
৪. মা-বাবার কাছে দাওয়াহ:
এই অধ্যায়ে মা বাবার কাছে টিনের দাওয়াহ পৌঁছানোর সুন্দরতম দৃষ্টান্ত উম্মু আবি হুরায়রার ইসলাম গ্রহণ এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
৫. ভাই-বোনের কাছে দাওয়াহ:
পরিবারে ভাই বোনের সম্পর্ক হল সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক তাই ভাই বোনের ভুল ত্রুটি গুলো দ্বীনের দাওয়াহ এর মাধ্যমে শুধরে দেওয়ার উপায় বলা হয়েছে এই অধ্যায়।
৬. স্বামীর কাছে দাওয়াহ:
স্বামীর কাছে দ্বীনের দাওয়াহ পৌঁছানোর উপায় গুলো বলা হয়েছে আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) ও উম্মু সালামার গল্পের মাধ্যমে।
এছাড়াও রয়েছে -
৭. ঘরের বাইরে নারীদের দাওয়াহ-
৮. শিক্ষাঙ্গনে নারীর দাওয়াহ-
৯. স্থানীয় মসজিদে দাওয়াহর পদ্ধতি-
১০.কর্মক্ষেত্রে নারীদের দাওয়াহ-
১১. উপসংহার:
এই অধ্যায়ে আবারও অল্প সময়ে পরামর্শ গুলোর সারসংক্ষেপ উল্লেখ করা আছে।
▪️ পাঠ্যানুভূতি:
বইটি অধ্যয়নের মাধ্যমে আমরা আমাদের নিকটজনের ও আত্মীয়, বন্ধু, সহপাঠী সকলের ভুলগুলো সঠিক সময়, পরিস্থিতি, পরিবেশে ধৈর্যের সাথে শুধরে দিয়ে দ্বীনের পথে চলতে সাহায্য করতে পারি। সকলে মিলে জান্নাতের বারিধারায় একত্রিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারি।
▪️ বইটি কেন পড়বেন:
এই বইয়ের শুরুতে এবং পূর্ববর্তী মহীয়সী নারীদের যেসব গুণাবলী উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলোতে বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া দরকার। এগুলো অবশ্যই মৌখিক দাওয়াতের পাশাপাশি প্রভাবক দাওয়াহ হিসেবে কাজ করবে। দুনিয়ার মায়ায় না পড়ে আমারাও পেতে পারি আখিরাতের সুমিষ্ট সময়ের সন্ধান।
▪️ শেষ কথা:
শুরু এবং শেষে সকল প্রশংসা শুধু এবং শুধুই বিশ্ব জগতের পালনকর্তা যিনি সব ভালো কাজের তৌফিক দাতা।
আল্লাহ তায়ালা সুকুন পাবলিশিং এর সকল দ্বীনি দাওয়াতি কাজ কবুল করে নিক।
আমীন