বই : নবিযুগে নারীর ইলম সাধনা
মূল : ড. আমিরা সায়িদি
অনুবাদ : সদরুল আমীন সাকিব ভাই
প্রকাশনায় : ইজরা পাবলিকেশন্স
আমাদের মৌলিক আদর্শবাহী পূর্ববর্তীরা। তাদের কর্ম আমাদের পথনির্দেশিকা। তাই আমাদের মূলে ফিরে যেতে হবে। আমাদের আদর্শের আতুড়ঘর হচ্ছে নববী যুগ। এবইতে নববী যুগে আমাদের নারীদের ইলমি হালাত, ইলম শেখার প্রতি আগ্রহ-উদ্দীপনা নিয়ে সংক্ষেপে চমৎকার ভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
বইটি মোট চারটি অধ্যায় রয়েছে;
১• ইলম প্রসঙ্গে নারীর প্রতি নবীজী সাঃ এর গুরুত্ব প্রদান।
২• নবীযুগে নারীর ইলম অন্বেষণ।
৩• নবীযুগে নারীর ইলমি স্বাতন্ত্র্যতা ও ইলমের অন্বেষণ ও প্রসারে শক্তিশালী ভূমিকা।
৪• নবীযুগের কতিপয় আলেমা নারী
• পরিশিষ্ট
• আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ সারাংশ
• শেষে উপদেশ এড করা হয়েছে।
নববী যুগে কিভাবে নারীরা ইলমকে আপোন করে নিয়েছিলেন। ইলমের প্রতি তাদের তাদের আগ্রহ, যোশ-খোশ কেমন ছিল। রাসুল ﷺ এর নারীদের ইলম শেখার প্রতি গুরুত্বারোপ। তিনার স্ত্রীদের ইলম শেখানোর পদ্ধতি। ওয়াজ নসিহত। নারীদের ইলমি প্রশ্নে হায়া-লজ্জার সীমারেখা। নববী যুগে নারীদের ইলম শেখার অধিকার আদায় করা। ইলম নিয়ে তাদের তৎপরতা, সাধ্য অনুযায়ী সকল প্রকাশ ইলম অর্জনের প্রচেষ্টা। ইলম তালাশে তাদের বেকুলতা, তত্ত্বতালাশ, বু্দ্ধিবৃত্তিক বাকপদ্ধতির ব্যবহার, ইলমি বিতর্কে তাদের স্বরব উপস্থিতি। আলেমা, ফকিহা নারী সাহাবিদের পুরুষ সাহাবাদের ভুল সংশোধন করে দেওয়া এবং নববী যুগে কিছু আলেমা, ফকিহা নারী সাহাবিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী খুবিই চমৎকার ভাবে এবইতে আলোচনা করা হয়েছে। মাশাল্লাহ
√বইটি প্রধানত নারীদের জন্য। তাদের ইলম শেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সহায়ক হবে। ইলমের প্রতি তাদের উত্তরসূরীদের বেকুলতা কেমন ছিল, তা জানতে পারবে।
√তারপর আমি মনে করি প্রত্যেক কন্যার বাবার এ বইটি সংগ্রহ করে মনযোগ দিয়ে পড়া জরুরি। সে এবইতে তার কন্যাকে একজন আদর্শ মুসলিমা নারী হিসেবে গড়ে তুলার দিকনির্দেশনা পাবেন ইনশাআল্লাহ।
√সর্বশেষ কারো অধীনে যদি কোনো নারী থাকেন, তাকে নববী আদর্শে গড়ে তুলতে বইটি আপনাকে আমি মাস্ট পড়তে বলবো।
মাশাআল্লাহ নারীদের নিয়ে কাজ হচ্ছে। তবে এমন একটি বইয়ের শূন্যতা খুব বেশিই অনুভব করছিলাম। আল্লাহর তাওফিকে আমরা তেমনিই একটা বই পেয়ে গেলাম। সমস্ত প্রসংশা মহামহিম রব আল্লাহ তায়ালার আলহামদুলিল্লাহ
ঈসায়ী